শনিবার, ২ জুন, ২০১২

http://blog.bdnews24.com/author/NurunnaharShireen

আজ কি নৈঃশব্দ ভালো .... 
~ নুরুন্নাহারশিরীন

বসে আছি বিষম হট্টোগোলের গড্ডলে একা, দুপুর চলে যাচ্ছে সুদূর পায়ে বিকেল ছাড়িয়ে সন্ধের দিকে, আমার তাড়া নেই কোনও, আমি জেনেছি এত ভিড়েও কি করে একাকী হেঁটে যাওয়া যায় প্রিয় জানলাতলে। যেখানে কবেকার কুয়াশা ভেদ করা অনন্ত আলোরেখা নির্জনে কথা বলে .... বলে "কি গো আমায় মনে পড়ে ?"
তক্ষুণি সহস্র আলোকবর্ষ হতে বিদ্যুতকণা পাঁজর ঝলসে দিয়েই দিব্যি সেঁধিয়ে পড়ে মেদিনীতলে। আমার সকল মনে পড়ার অতন্দ্র প্রহর আমায় জাগিয়ে জ্বলতে থাকে। যেন বা নাক্ষত্রিক নৈঃশব্দ জ্বেলে সহস্র জলছবিরা বেড়াতে আসে আমার ক্ষণিকের নির্জনে তুমুল সবুজ দিনগুলি বুকের মধ্যে ভরে। কারও মুখে কথা নেই তবুও কি আশ্চর্য নীরবতায় তারা আমার আয়ুর সমান পথ পেরিয়ে মুখোমুখি বসিবার অন্ধকার ছায়ায় পাখিদিন উড়িয়ে দিয়ে আকাশের ঠিকানা লেখে মেঘভাষায়। মুহূর্তে মূর্ত হয়ে ওঠে পাখির নীড়ের মতোন চোখ। সে চোখ থেকে টুপ করে খসে পড়া জীবনান্দপাঠে আমি বসে থাকি একাকী, স্তব্ধবাক, আমার চারপাশের গড্ডলে তীব্র হিঙুল ভুলে যাওয়া প্রায় সঘন স্তব্ধতার জীবন্ত গন্ধ আমাকে জাগিয়ে রাখে অবাঙ বাংলাজানালায়। দেখি সারি-সারি চলে যাওয়া প্রিয়জনের হাস্যজ্জ্বল মুখের 'পরে লেগেছে কি নরোম মেঘ রঙের বিভা। আশ্চর্য বিভাসায়-মুগ্ধতায় ভেসে যেতে-যেতে আমার এক জীবনের সকল সশব্দ সময় চুপ হয়ে বসে বেদনালাল অজস্র নৈঃশব্দের গভীরে। নতনীল শিকড়ে জখমিত জলজ হৃদয়ের কড়ানাড়ায় জেগে ওঠে আদিম আকাশ-পাতাল এক করা সব শুকনো পাতার মর্মর।

   মর্মরিত আমি জগতবাড়ির মনোটোনাস ওম ছেড়ে বেরিয়ে পড়ি অন্যরকম আগুনে শিখায়। পড়ন্ত সন্ধের কাছে পোড়া মাঠের ফসলিত দিনের সুতীব্র খবরগুলি চুপ হয়ে পড়ি। পড়তে-পড়তেই টের পাই আজ বড়ো আগুনিয়া অপর খবর। তো, তাহাদের পাশে আজ আমার নৈঃশব্দ জ্বেলে বসে পড়াই ভালো। অন্ততঃ যাতে বাংলার জানালাঘিরে বাড়ন্ত লতাপাতারাও বোঝে আমরা কোনও মা-বাপছাড়া জাতি নই। গড্ডল হট্টোগোলেও আমরা ঠিক খুঁজেপেতে পাই আপন ঠিকানা ও ঠাঁই। আমাদের গভীরে জেগে আছে পরম্পরার ঐতিহ্য। যেখানে অনায়াসে পরস্পরের পাশে বসেই চুপ হওয়া যায়। যেন বা সে আমার একান্ত কবিতাখানি। তারই তরে আজ আমার নির্জন পঙক্তি নিবেদন করছি ~

   একটি নির্জন অভিজ্ঞা
-------------------------------

 আজ আমার নির্জনে খুব করে বুঝি
 আছে , আছি শব্দ দুটি
গাছের মতোই আদি, অকৃত্রিম ছায়া।
যেন বা গভীর মায়া।

পাশাপাশি বাংলার নদী
বহমানতায় সান্দ্র
বন্যায় উন্মত্ত পুনরায় চুপ, শান্ত।
এমনই এশীয় প্রকৃতি, আছে , আছি শব্দ দুটি।

২ জুন ২০১২ ইং

nurunnaharshireen@yahoo.com

link: www.facebook.com/NurunnaharShireen
link: http://blog.bdnews24.com/author/NurunnaharShireen
 

শনিবার, ১৩ আগস্ট, ২০১১

Triple T " The True Teller": 15th August is the National Mourning Day.

Triple T " The True Teller": 15th August is the National Mourning Day.: "15th August is the National Mourning Day. At the fateful night of August 15 in 1975, the cruelest assassination of history took place..."

We Mourn .. We Mourn .. We Mourn ..
Because We Believe We Never Get Today's Bangladesh if The Great Leader & our Father of The Nation Bongobondhu Sheikh Mujibur Rohman Born !
~ NurunnaharShireen (নুরুন্নাহারশিরীন)
Bangladesh

মঙ্গলবার, ৩১ মে, ২০১১

Posted by Picasa

মঙ্গলবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

Posted by Picasa

শনিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

কথাজালঃ নুরুন্নাহারশিরীন

জীবন তো কথা বলে যায় -- 
প্রকাশ্যে কি মনে-মনে -- লেখায় কি অলেখায় -- 
এত কথা -- কথাদের বহুতর মানে ! 
যখন সমস্ত চুপ -- যাপিতজীবনবোধ শূণ্যে কথা বলে -- কি তাহার মানে ! 

বাতাসেরও এত শূণ্যতার গান -- 
তাও কারও-কারও প্রিয় হৃদয়ভাসান ! 

এত যে সম্বিতহীন-শব্দহীন-কালাকালহীন-অন্তহীন ভার -- 
ভারমুক্ত হতে চেয়েই আরও তলিয়ে যাওয়া অন্ধকার ! 

অন্ধকারেও কোথাও ঠিক ফুটে আছে শব্দাকাশ -- তারা -- 
সেই হয় নাক্ষত্রিক কড়ানাড়া ! 

তার কাছে কথা যায় -- 
প্রকাশ্যে কি মনে-মনে -- লেখায় কি অলেখায় । 
----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------- 
             

শনিবার, ১ জানুয়ারি, ২০১১

মা মানে কি জানো ? ~ নুরুন্নাহারশিরীন

যে মাঠে ঘুমোয় শিশু -- 
মাথার 'পরে আকাশ ঝরে -- 
--------------------------------------------- 
 ঘুমিয়ে থাকা একটি ভাষা জেগে উঠেই 
মাঠের পানে ছুটলো ধেইধেই। 
জাগলো পাতা -- উড়লো কথা -- জাগলো প্রাণ -- ঝোরলো ব্যাথা -- 
নামটি তাহার বাংলাভাষা। 
শত্রু তার যতই কাটে ডানা 
ততই বাড়ে পাখির মতো 
ছোট্ট ডানায় স্বপ্ন শত। 
আলোভর্তি ছানাপোনা। 
তারা বল্লোঃ যাবোনা তো বাংলা ছাড়া -- জ্বললো তারা। 
ঝরলো পথে রক্তধারা। 
কাঁদলো বড়ো বাংলাভাষা। 
কাঁদলো মায়ের ভালোবাসা। 
কিন্তু তারা হারলোনা। 
নিজের দাবী ছাড়লোনা। 
নিজের যত টাকডুমাডুম 
ডিংডংডং সুন্দরবন 
মংলা এবঙ বান্দরবন 
দিয়ে বানালো সাহসী সব দোয়েলফড়িংবঙ্গহালুম। 
জানলো যত দূরের দেশ বীর বাঙালি বাংলাদেশ। 
এখানে সূর্য হাসে -- হাসে জোনাকিরা বেশ। 
এখানে মাঠের পারে নদী জেগে থাকে। 
এইখানে সমুদ্র মেঘেমেঘে ডাকে। 

কেবল চড়ুই যদি ফুরুত করে 
ওড়ে ফুলের হাটে 
টিয়ে বলেঃ লেজ দুলিয়েঃ ওরে 
আমি বাপু যাচ্ছিনে আর ধূলোভর্তি সদরঘাটে। 

বলতে-বলতে হটাত যদি মাকে পড়ে ? 
তখন কি আর কারও তেমন উড়তে ভালো লাগে ? 
খেলা ফেলে মেলা ফেলে ছোটে সবার আগে। 
সন্ধে হলে মায়ের তরে মন যে ক্যামন করে। 

মন যে ক্যামন করে মাগো মন যে ক্যামন করে 
যখন  তোমার গানকে মনে পড়ে।
তোমার গানে ঘুমিয়ে পড়ার দুপুর মনে আসে। 
ভোরের শিউলিবকুলবেলি তোমায় ভালোবাসে।

 ভালোবেসে আমরা সবাই 
রুখে দাঁড়াই  
শত্রু যদি আসে। 
রুখে দাঁড়াই আমরা সবাই শত্রু যদি আসে। 

শুধোয় যদি কেউঃ মা মানে কি জানো ? 
বলিঃ মা মানে ভোরের হাসি ঝলমলানো। 
শত্রু যদি বলেঃ মা মানে কি জানো ? 
তখন বলিঃ মা মানে বাংলাদেশ শত্রুবুকে ভয়ধরানো। 

এবার বলিঃ মাঠের শিশু পথের শিশু দেশটা কিন্তু তারও। 
তারও আছে মাটির দাবী পাঠের দাবী স্বপ্ন আছে তারও। 
তারেও এসো বন্ধু করি ভালোবেসে হাতটি ধরি। 
দেশটা তো নয় একার শত্রু এলে সবাই লড়ি। 
সবাই সবার বন্ধু হই বাংলামায়ের জন্য। 
সবার মনে স্বপ্ন জাগে ভাষা মায়ের জন্য। 
                               #                              


বৃহস্পতিবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০১০

মা মানে কি জানো ? ~ নুরুন্নাহারশিরীন

যে মাঠে ঘুমোয় শিশু --
মাঠের 'পরে আকাশ ঝরে --
-----------------------------------------------------------
ঘুমিয়ে থাকা একটি ভাষা জেগে উঠেই
মাঠের পানে ছুটলো ধেইধেই ।
জাগলো পাতা -- উড়লো কথা -- জাগলো প্রাণ -- ঝরলো ব্যাথা --
নামটি তাহার বাংলাভাষা।

শত্রু তার যতই কাটে ডানা
ততই বাড়ে পাখির মতো
ছোট্ট ডানায় স্বপ্ন শত
আলোভর্তি ছানাপোনা ।

তারা বল্লোঃ যাবোনা তো বাংলা ছাড়া -- জ্বললো তারা ।
ঝরলো পথে রক্তধারা ।
কাঁদলো বড়ো বাংলাভাষা ।
কাঁদলো মায়ের ভালোবাসা ।

কিন্তু তারা হারলোনা --
নিজের দাবী ছাড়লোনা ।
নিজের যত টাকডুমাডুম --
ডিংডংডং সুন্দরবন
মংলা এবঙ বান্দরবন
দিয়ে বানালো সাহসী সব দোয়েলফড়িংবঙ্গহালুম ।

জানলো যত দূরের দেশ বীর বাঙালির বাংলাদেশ ।
এখানে সূর্য হাসে -- হাসে জোনাকিরা বেশ ।
এখানে মাঠের পারে নদী জেগে থাকে ।
এইখানে সমুদ্র মেঘে-মেঘে ডাকে ।

কেবল চড়ুই যদি আবেশ ভরে
ওড়ে ফুলের হাটে --
টিয়ে বলে লেজ বাঁকিয়েঃ ওরে
আমি বাপু যাচ্ছিনে আর ধূলোভর্তি সদরঘাটে ।

বলতে-বলতে হটাত যদি মাকে মনে পড়ে ?
তখন কি আর কারও তেমন উড়তে ভালো লাগে ?
খেলা ফেলে মেলা ফেলে ছোটে সবার আগে ।
সন্ধে হলে মায়ের তরে মন যে ক্যামন করে ।

মন যে ক্যামন করে মাগো মন যে ক্যামন করে --
যখন তোমার গানকে মনে পড়ে ।
তোমার গানে ঘুমিয়ে পড়ার দুপুর মনে আসে --
ভোরের শিউলিবকুলবেলি তোমায় ভালোবাসে ।

ভালোবেসে আমরা সবাই
রুখে দাঁড়াই
শত্রু যদি আসে ।
রুখে দাঁড়াই আমরা সবাই শত্রু যদি আসে ।

শুধোয় যদি কেউঃ মা মানে কি জানো ?
বলিঃ মা মানে তো ভোরের হাসি ঝলমলানো ।
শত্রু যপখন বলেঃ মা মানে কি জানো ?
তখন বলিঃ মা মানে বাংলাদেশ শত্রুবুকে ভয়ধরানো ।

এবার বলিঃ মাঠের শিশু পথের শিশু দেশটা কিন্তু তারও ।
তারও আচে মাটির দাবী পাঠের দাবী স্বপ্ন আছে তারও ।
তারেও এসো বন্ধু করি ভালোবেসে হাতটি ধরি ।